নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটিঃ-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি বলেছেন,পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানেরভূমিকা চির স্মরণীয় তেমনি সাজেকের সমস্যা উভয়ের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছ।

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম হচ্ছে ট্যুরিস্ট জোন, এখানে পর্যটন ব্যবসা বন্ধ থাকলে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আলোচনার মাধ্যমে সাজেক সমস্যা সমাধান করতে। সন্তু লারমা ও ইউপিডিএফ নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানান।

প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশউপলক্ষে সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শনিবার বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড মাইনী হলরুমে অনুষ্ঠিতশিশু-কিশোরদেরনিয়েরচনা,চিত্রাঙ্কনপ্রতিযোগিতা, আলোচনা সভাও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি এসব কথা বলেন।

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মৈত্রী চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা দীপেন দেওয়ান এমপি।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক,এসপিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার মোঃ একরামুল রাহাত,পিএসসি, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।

এমপি আরো বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের সময় পাহাড়ের পরিস্থিতি ছিল অশান্ত, সে সময় পাহাড়ের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এমএন লারমা ও চারুবিকাশ চাকমারা পার্বত্য এলাকার সংস্কৃতি রক্ষাসহ এই অঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গেলেও শেখ মুজিব তাদের দাবি পুরণ না করে উল্টো রাঙামাটিতে আয়োজিত সমাবেশে হুমকি প্রদান করেছিলেন। যা পাহাড়ের মানুষ মনে রেখেছে।

আলোচনা সভা শেষে কৃতি ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমাকে সম্মাননা স্মারক এবং প্রয়াত সাংবাদিক একেএম মকছুদ আহমদকে দুই পরিবারের স্বজনদের কাছে মরনোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

পরে সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত শিশু-কিশোরদের নিয়ে রচনা,চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ী দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।