সাজেক প্রতিনিধিঃ-সাজেক গণঅধিকার পরিষদ রক্ষা কমিটিও সাজেক কাব্বারী এসোসিয়েশনের ডাকা অনিদিষ্টকালের সড়ক অবরোধ ঢিলে ঢালা ভাবে চলছে।  আজ শুক্রবার সকালে বাঘাইহাট দীঘিনালা সড়কের শুকনাছড়ি এলাকায় অবরোধকারীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।  যদিও সড়ক দিয়ে কোন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে না। কাল শনিবার সকাল ৫টা থেকে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় আধাবেলা সড়ক অবরোধের ডাক ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদ নামের একটি সংগঠন।

অপরদিকে সাজেক মাসালং ও উজো বাজার এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবারের গোলাগুলির ঘটনায় সন্ত্রাসীদের আতংকে ও ভয়ে মানব শূন্য হয়ে পড়েছে। সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সাথে না পেরে স্থানীয় জনসাধারণকে হয়রানি করতে শুনা যাচ্ছে। ইউপিডিএফ স্থানীয় জনসাধারণকে ব্যবহার করছে। জোরপূর্বক রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে। যখন দেখতে জনগণ আর পারছে না তখন ইউপিডিএফ সেনাবিাহিনী ও পুলিশের ওপর গুলি ছুড়ে। এতে সেনাবাহিনী,পুলিশ ও পর্যটকসহ ৬ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

 গত ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাঙামাটির সাজেকে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ডাকা শান্তিপূর্ণ সড়ক অবরোধে হামলা, লাঠিচার্জ ও ঘরবাড়ি-দোকান ভাঙচুরের প্রতিবাদে এবং সাজেকবাসীর ন্যায্য দাবির সমর্থনে ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদ এর ব্যানারে কাল শনিবার রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় আধাবেলা শান্তিপূর্ণ সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দিয়েছেন সংগঠনটি। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালের দিকে সংগঠনটি সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে আধাবেলা অবরোধের ঘোষণা দেয়।

ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি উষাতন চাকমা উক্ত অবরোধ সফল করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সংগঠন এবং দুই জেলার সকল যাবাহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। কাল শনিবার সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সড়ক ও নৌপথ অবরোধ চলবে বলে তিনি জানান।

অবরোধের সময় অ্যাম্বুলেন্সও রোগীবাহী গাড়ি,লাশবাহী যান,ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি,জরুরী ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহনও সাংবাদিকদের বহনকারী গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে। ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল চাকমা স্বাক্ষরিত এই বিবৃতি দেওয়া হয়।